গল্পের শেষে
অনন্তর যুবতীটি
সাজিয়া উঠিল খাসা কেয়ূরে-কঙ্কণে
নহবতে সুনিপুণ সানাই
বাজিল আহা ডেসিবল নিয়মাদি মেনে
যুবতীর দুই চক্ষু
সায়রের গভীরতা হেনে জিজ্ঞাসা করিল
‘সখা, চন্দ্রকিরণের ন্যায়
অপাপবিদ্ধ প্রেম দিতে পারো এনে
দিতে পারো নিষ্কলুষ
ভালবাসা, বোতলবদ্ধ জল যেন’
যুবকটি নির্বাক।
তাহার গণ্ডদ্বয়
সন্ধ্যায় উজ্জ্বল ক্ষৌরক্রিয়ার শেষে
সুরভির গন্ধমেদুর।
যুবকের অধরোষ্ঠ স্ফূরিত হইল সংলাপে
‘সুন্দরি, জ্যোচ্ছনা চাও - সে তো
সূর্যের অপভ্রংশ আভা
বোতলবন্দী জলে
কীটনাশকের লেশ আছে যদিচ সীমিত পরিমাণে,. নিষ্পাপ কিছু নাই।
ভালবাসা
দিতে পারি পরিমিত কলুষ মিশায়ে। স্বাদু হবে।‘
অতঃপর যুবকটি নিরত
হইল পাপে অথবা সে গভীর যুবতী
প্রকৃত উদোম হল অলঙ্কারের
ভার ঠেলে –
এ কবি জানেনি তাহা
নহবতে সুমধুর সানাই
বাজিল শুধু ডেসিবল নিয়মাদি মেনে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন