সমস্ত লেখা হলে
নৈঃশব্দ্য এসে তার দরজায় কড়া নেড়ে গেলো
যেন গভীর খাদের পাশে বাতায়ন খুলে রেখে
আনমনা চলে গেলো কেউ। যেন তার ঘরের ভিতর শুধু
নদী আর দীর্ণ সিথান আছে পাশাপাশি, আর কেউ নেই।
দরোজায় কড়া নেড়ে গেল। ট্রেনের ইস্টিশন,
লালচোখ
সিগনাল বাতি, দূরপাল্লার টানা ছুট – এসব সত্যি বুঝি
নিজে চোখে দ্যাখেনি কখনও তাই মায়া লাগে তার সন্ধেতে
আঁধার মেশাতে চুপিচুপি।
আর কেউ নেই তার ঘরের ভিতর
এক নদী বিদেশে যাবার আগে চিঠি লেখে স্বজনের কাছে।
'সুচরিতাসু'র পরে ডাকনাম, তার নীচে শৌখিন আসবাব,
টবের গোলাপফুল, আদরের পোষ্য বেড়াল,
আলি আকবর আর শহরের হাল-হকিকৎ সমস্ত লেখা হলে
লিখেছে
সে 'ইতি'।
তার চিঠি পড়ে আছে দীর্ণ সিথানে যেন আর কেউ নেই
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন